মাঠের পাশেই একটি ছোট নদী। নদীর নাম শীলা। শীলা নদী যেন আষ্টে পৃষ্ঠে ধরে রাখতে চায় এই মাঠটিকে।
মানবসভ্যতার ইতিহাস বলে মানুষ পরিচয়প্রিয়। প্রত্যেকের আলাদা পরিচয়ের জন্য চাই নাম। নাম কথাটি কোন ভাষা থেকে এসেছে, সেটা অজানা৷ কিন্তু এই বিশ্বসভার ইতিহাসে নামের ভূমিকা মুছে গেলেই ইতিহাস মুষরে পড়বে। সভ্যতা ভেঙে যাবে।
গ্রামের নাম দেউলপাড়া। প্রত্যেকটি গ্রামের কিছু বিশেষ বিষয় থাকে, এই গ্রামের ও আছে। মাঠ। মাঠের নাম আবর আলী।
সবুজ ঘাসের উপর বিস্তৃত আকাশ। মৃদু বাতাস বইছে। শীতল বাতাস। শীলা নদীর ওপারে ছোট গ্রামটি দেখা যাচ্ছে। গ্রামের নাম বাগড়া। বাগড়া গ্রাম থেকে দূরে আবছা দেখা যাচ্ছে পাগলা সেতু। সেই সেতুর নিচে অজগর সাপের মতো নদী। নদীর নাম শীলা৷
আবর আলী তিনকন্যার মাঠ। মাঠে তিনটি প্রকান্ড তালগাছ মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। অবুঝ শিশুও এটা বুঝেছে যে, এই ত্রয়ীবৃক্ষ একই ফলের তিনটি পরিণত গর্ভাশয়।
আবর আলী মাঠের উপর পঞ্চমীর চাঁদ। চাঁদের আলো কোথাও বাধা পাচ্ছে না। শুক্লা দ্বাদশীর রাতে মাঠটা চাঁদের কাছাকাছি কিছুটা উপরে উঠে আসছে।
লোকালয়ের কোলাহল নেই। পৃথিবীর কোন বৈশিষ্ট্য সে আর ধরে না। আবর আলী হয়ে উঠে জোসনার তিলোত্তমা। জোসনার প্রান্তরে বসে আছি আমরা।
সাথে আছেন আশিক স্যার। তিনি অসাধারণ গান বাধেন। আমরা জোসনা বিলাসিতক্ষেত্রে স্বর্গীয় নরম আলো দেখি। বাতাসের সুর এখানে স্পষ্ট শোনা যায়।
বিলুপ্তপ্রায় একটি হিজল গাছ এখানে দাঁড়িয়ে আছে একা৷ পৃথিবী নামের গ্রহ তাদের অসহ্য লাগছে। সে দাঁড়িয়েছে আবর আলী মাঠে এই গ্রহের সাথে মিল নেই তার।
আবর আলী ক্রীড়াক্ষেত্র। এখানে রয়েছে প্রকৃতির সাথে আকাশের মেলবন্ধন। এই গ্রহের শিশু আর যুবকেরা খেলছে প্রজন্মান্তরে।
বিশ্বায়ন হয়ত খুব শীঘ্রই এই মাঠ ছিনিয়ে নেবে। স্বর্গীয় সুখ বা স্বাধীনতার কোন মূল্য বিশ্বায়নের কাছে নেই।
একদিন এখানে হয়ত কারখানার ধোঁয়া আর শব্দদুষণ হবে।
দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলতে হবে, হে প্রভু স্বর্গে তুমি বিশ্বায়ন দিও না। তাহলে সেটা হবে নরকের প্রতিশব্দ।
মানবসভ্যতার ইতিহাস বলে মানুষ পরিচয়প্রিয়। প্রত্যেকের আলাদা পরিচয়ের জন্য চাই নাম। নাম কথাটি কোন ভাষা থেকে এসেছে, সেটা অজানা৷ কিন্তু এই বিশ্বসভার ইতিহাসে নামের ভূমিকা মুছে গেলেই ইতিহাস মুষরে পড়বে। সভ্যতা ভেঙে যাবে।
গ্রামের নাম দেউলপাড়া। প্রত্যেকটি গ্রামের কিছু বিশেষ বিষয় থাকে, এই গ্রামের ও আছে। মাঠ। মাঠের নাম আবর আলী।
সবুজ ঘাসের উপর বিস্তৃত আকাশ। মৃদু বাতাস বইছে। শীতল বাতাস। শীলা নদীর ওপারে ছোট গ্রামটি দেখা যাচ্ছে। গ্রামের নাম বাগড়া। বাগড়া গ্রাম থেকে দূরে আবছা দেখা যাচ্ছে পাগলা সেতু। সেই সেতুর নিচে অজগর সাপের মতো নদী। নদীর নাম শীলা৷
আবর আলী তিনকন্যার মাঠ। মাঠে তিনটি প্রকান্ড তালগাছ মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। অবুঝ শিশুও এটা বুঝেছে যে, এই ত্রয়ীবৃক্ষ একই ফলের তিনটি পরিণত গর্ভাশয়।
আবর আলী মাঠের উপর পঞ্চমীর চাঁদ। চাঁদের আলো কোথাও বাধা পাচ্ছে না। শুক্লা দ্বাদশীর রাতে মাঠটা চাঁদের কাছাকাছি কিছুটা উপরে উঠে আসছে।
লোকালয়ের কোলাহল নেই। পৃথিবীর কোন বৈশিষ্ট্য সে আর ধরে না। আবর আলী হয়ে উঠে জোসনার তিলোত্তমা। জোসনার প্রান্তরে বসে আছি আমরা।
সাথে আছেন আশিক স্যার। তিনি অসাধারণ গান বাধেন। আমরা জোসনা বিলাসিতক্ষেত্রে স্বর্গীয় নরম আলো দেখি। বাতাসের সুর এখানে স্পষ্ট শোনা যায়।
বিলুপ্তপ্রায় একটি হিজল গাছ এখানে দাঁড়িয়ে আছে একা৷ পৃথিবী নামের গ্রহ তাদের অসহ্য লাগছে। সে দাঁড়িয়েছে আবর আলী মাঠে এই গ্রহের সাথে মিল নেই তার।
আবর আলী ক্রীড়াক্ষেত্র। এখানে রয়েছে প্রকৃতির সাথে আকাশের মেলবন্ধন। এই গ্রহের শিশু আর যুবকেরা খেলছে প্রজন্মান্তরে।
বিশ্বায়ন হয়ত খুব শীঘ্রই এই মাঠ ছিনিয়ে নেবে। স্বর্গীয় সুখ বা স্বাধীনতার কোন মূল্য বিশ্বায়নের কাছে নেই।
একদিন এখানে হয়ত কারখানার ধোঁয়া আর শব্দদুষণ হবে।
দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলতে হবে, হে প্রভু স্বর্গে তুমি বিশ্বায়ন দিও না। তাহলে সেটা হবে নরকের প্রতিশব্দ।