শৈশব



কতবার বইচিঁর ফুলে উড়ন্ত প্রজাপতির, 
রঙিন পাখার পিছে হেঁটেছি আমি।
হাতে পায়ে অবাধ্য কঞ্চির আঁচড়,
অথচ কী নিবিড় লক্ষ্যের পেছনে দৌড়ানি!

কি নিষ্পাপ শৈশব, 
ভালবাসা ছাড়া নেই কোন স্বার্থের লোভ,
নিজের মা কে অন্যেরা আমার বলিত যদি,
চোট পেয়ে চোখ জল গড়াতো খুব।

এখন ভাবলে আসে হাসি,
কি হতো ধরে নিতে স্নিগ্ধ প্রজাপতি?
সোনালী প্রভা যেত ঝড়ে,
ভালবাসায় ঢের হতো ক্ষতি!

এখন আর নিষ্পাপ শৈশব নেই।
সেজে আসা সুন্দরী প্রজাপতি ঘুরে না কো বঁইচির বনে,
হয়ত আজকের জন্যও তাচ্ছিল্যের হাসি,
হেসে নেবো একই জীবনে।

জীবন নদীর বাঁকে কতবার হেরে গেছে,
নেপোলিয়ন, আকিলিস, আলেক্সান্ডার। 
জীবন যাপন করা সহজ ছিল না কভু,
সংঘাত,সম্প্রীতি, জীবনের হুহু হাহাকার।

হয়ত এখনো আছে বঁইচির কাঁটা, 
নতুন প্রজাপতির নাগরিক পাখা।
আমাদের সেই শৈশব নেই আর,
সূচনাকে দূরে ফেলে ধেয়ে আসছে যেন উপসংহার। 

তবুও বাতাসের মতো আজো একই আছে,
শৈশবের পাগল হাওয়ার গান। 
সময় পালটে যায়, পুরুনো কাগজে লেখা,
স্পষ্ট ভাসতে থাকে, "এটাই অবদান!"
নবীনতর পূর্বতন