ভয়েজার


ধূসর রঙের একটা স্থান । আমি বসে আছি একটা চাতিম গাছের নিচে। গাছের পাশেই একটা অদ্ভুত জিনিস পড়ে আছে। সেখানে সুন্দর সুঠাম দেহের অধিকারী সাতাশটি প্রাণী। তাদের সামনে চিকচিক করছে সোনালী সোনার পাত। এটি লাগানো আছে একটা মহাকাশযানে। মহাকাশযানটি কিছুক্ষণ আগেই এই গ্রহে এসে আঘাত হেনেছে। নাম তার ভয়েজার ১.
 এসে ছিল সে এক আলোকবর্ষ দূরের কোন একটা স্থান থেকে। স্থানের নাম নাকি ছিল পৃথিবী। এই সোনালী ডিস্কের উপরে কঠিন সব সংকেত। এগুলো ডিকোড করতে বসেছে তারা।
অল্প আলোতে আবছাভাবে দেখা যাচ্ছে দুটি জন্তু। তারা অসম্ভব সাহায্যপরায়ন। একজনের মনের ভেতর কি চলছে তা তারা জানতে পারে। মনের ভেতর নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করে গ্রুপ করে চিন্তা করতে পারে। প্রতিটি স্ট্রিংয়েই আছে সংখ্যার ব্যবহার। 
রেমন্ড হাইপোথিসিস, থিওরী অব এভরিথিং, মৌলিক সব বলের একীভূতকরণ ও সময়ের নিয়ন্ত্রন নিজেদের মতো করে করে নিতে পারে। 
সকল নেটিভদের সংখ্যার ধর্মগুলো জন্ম থেকেই জানা থাকে। 
নবীনতর পূর্বতন