বাড়ি ফেরা

হ্যাঁ। আমি বাড়ি যাচ্ছি। ইট পাথরের শহরে কোমল হৃদয় অথচ দৃঢ়সংকল্প আপার কথা মনে পড়ছে। আজ ইজতেমার ২য় ধাপের মুনাজাত। অজস্র মানুষের ঢল নেমেছে পথে। 
প্রত্যেক অকেশনে বাস শ্রমিক মালিকেরা মানুষকে বিপদে ফেলে রোজগার করতে ভালবাসে। এত কষ্ট করে ওরা রাস্তার ধুলিময়তায় পরিশ্রম করে। মায়া হয়। 
কিন্তু যখন দেখি বিপদগ্রস্ত মানুষগুলো, যারা রবের উদ্দেশ্যে জমায়েত হয়েছে। তাদেরকে জিম্মি করে ৬০০% ভাড়া দাবি করে। তখন ওদের জন্য দোয়া আসে মন থেকে। যে মৃত্যুর দিন পর্যন্ত তাদের ভাগ্য যেন এমন থাকে।
এই অসহযোগিতার স্বীকার হলাম। ১০ টাকার ভাড়া ৬০ টাকা। ট্রেনের জন্য স্টেশন এসে দাঁড়িয়েছি। অনেক ভিড়।  ট্রেনেও তাই হবে ভেবে বসে আছি। ঘন্টাখানিক পরে নীল ট্রেনটি এসে দাঁড়ালো। দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার। 
সময়ের সাথে শহর থেকে দূরে যাচ্ছি।
পেছনে পড়ে আছে, মায়াবী ফুটফুটে শিশু মাহাদী, গেমের জন্য যে তার আসন্ন পরীক্ষা-পড়ালেখাকে জলাঞ্জলি দিচ্ছে সেই আলিফ, মমতাময়ী খুকি আপা, আর দায়িত্বশীল মা ডলি আন্টি। সদাহাস্যজ্বল মানুষ দুলাভাই, রূপায়ন সিটি আর সোনালী মসজিদের মিনার।

ট্রেন টঙ্গী আসতেই মুহুর্তেই ভীড় জমে গেল ট্রেনে।অজস্র ধর্মপ্রাণ মানুষ। সামানা সহ উঠে আসলো ট্রেনে। একটা পকেটমার ধরা পড়েছে। সুদর্শন। চেহারা দেখে ঠাউর করা যায় না।  তাকে উত্তম মাধ্যম দেয়া হচ্ছে। আমরা অবশ্য একটা সিট পেয়েছি। 
সিট নম্বর ৩। কম্পার্টম্যান্ট নম্বর অজানা। 
ট্রেন জয়দেবপুর এসেছে। 
এখানে ক্তমবর্ধমান ভীড়।.....
(চলবে)
নবীনতর পূর্বতন