আল কুরআনের শিক্ষা

□ মানুষের সাথে কথা বলার সময় ভদ্র, মার্জিতভাবে উত্তম কথা বলবে।। ২: ৮৩।
□ সত্য কথা বলবে। ভণিতা না করে, ধোঁকা না দিয়ে, স্পষ্ট বলবে।। ৩৩: ৭০।
□ চিৎকার করবে না। কর্কশভাবে কথা বলবে না, নম্রভাবে নিচু স্বরে কথা বলবে।।
৩১: ১৯।
□ সত্যি মনোভাবটা মুখে প্রকাশ করবে। মনে এক, মুখে উল্টো কথা বলবে না।।
৩: ১৬৭।
□ ফালতু কথা বলবে না এবং অন্যের ফালতু কথা শুনবে না। যারা ফালতু কথা বলে, অপ্রয়োজনীয় কাজ করে সময় নষ্ট করে, তাদের কাছ থেকে সরে যাবে।।
২৩: ৩, ২৮: ৫৫।
□ কাউকে নিয়ে উপহাস, টিটকারি ব্যঙ্গ করবে না।। ৪৯: ১১।
□ অন্যকে নিন্দা করবে না, কারও মানহানি করবে না।। ৪৯: ১১।
□ কাউকে কোন�ো বাজে নামে ডাকবে না।। ৪৯: ১১
□ কারও অনুপস্থিতিতে তার নামে কোনো বাজে কথা বলবে না।। ৪৯: ১২

□ অন্যকে কিছু সংশোধন করতে বলার আগে অবশ্যই তা নিজে মানবে। কথার চেয়ে কাজের প্রভাব বেশি।। - ২: ৪৪।

□ মানুষকে বিচক্ষণভাবে, মার্জিত কথা বলে আল্লাহর পথে ডাকবে। তাদের সাথে অত্যন্ত ভদ্র, শালীনভাবে যুক্তি-তর্ক করবে।। ১৬: ১২৫

□ মিথ্যা কথা বলবে না।। ২২: ৩০
□ যদি কোনো ব্যাপারে তোমার সঠিক জ্ঞান না থাকে, তা হলে সে ব্যাপারে মুখ বন্ধ রাখো।
তোমার মনে হতে পারে, এসব সামান্য ব্যাপারে সঠিকভাবে না জেনে কথা বললে অত সমস্যা নেই, কিন্তু তুমি জানো না,
সেটা হয়তো আল্লাহর কাছে কোনো ভয়ংকর ব্যাপার।
-২৪: ১৪–১৬


নবীনতর পূর্বতন