বজ্রপাতের প্রচণ্ড শব্দে ঘুম ভাঙল।
বাইরে কালবৈশাখী ঝড় হচ্ছে। গাছপালা দুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছে। বাতাসের প্রচণ্ড গতি গাছগুলোকে অসহায়ের মতো নির্যাতন করছে। গাছের পত্রপল্লব আছড়ে পড়ছে টিনের চালে।
উত্তরের জঙ্গলে গাছপালা উপড়ে পড়ার বিকট শব্দ হচ্ছে। বিদ্যুৎচমকানোর পর বজ্রের শব্দে মাটি কেঁপে উঠছে। আমি অপেক্ষা করছি কোন সময় একটা বজ্রাঘাত আমাদের চালে এসে পড়বে!
হিসেব কষছি। বজ্রপাত হয় উঁচু স্থাপণা না বড় গাছে। টিনের চালে নয়। কিন্তু এই কথা তো আমি জানি। বজ্রপাতের তো সেটা অজানা। সে নিয়ম নাও মানতে পারে।
বৃষ্টি একসময় থামল। আমার শরীর বিশেষ সুস্থ নয়। মানুষ জেগে থাকার জন্য গণিতচর্চা করে। গণিতচর্চা করছি। অসমতা। কিন্তু চোখে রাজ্যের ঘুম।
ঘুমিয়ে পড়লাম।
গাঢ় ঘুমে আমি একটা স্পষ্ট স্বপ্ন দেখলাম।
আমি হেঁটে যাচ্ছি খালি পায়ে। অনেক দূরের কোথাও থেকে হাঁটছি। রেললাইনের সমান্তরালে। রেললাইনে জং ধরে আছে। লকডাউনের কারণে ( বাস্তবেও এটা সত্যি)। সেই জং পড়া রেলে জং পড়া এক ট্রেন চলছে ঢাকার দিকে। মানুষ সে ট্রেনে নেই। অজস্র সবুজ গাছ নিয়ে এটা প্রচন্ড বেগে চলে যাচ্ছে। সবার দৃষ্টি ট্রেনের দিকে। কারণ এই মাসে এটাই একমাত্র ট্রেন।( বাস্তবে এই মাসে এখনো কোন ট্রেন চলেনি)।
গগনবিদারী ঝড় আবার শুরু হয়েছে। একপাল হাতি সাথে দুজন মাহুত সামনে আসছে।
মাহুতের হাতি কালো। সিল্ক ও মখমলের মতো চিকচিক করছে তার ত্বক। সেই হাতির জন্য সবাই রাস্তা ছেড়ে দিচ্ছে। একটি হাতি আমার কাছাকাছি আসছে। আমি রাস্তা ছেড়ে দিলাম।
হাতি চলে আসছে রাস্তা ছেড়ে। আমি বললাম, "মাহুত ভাই, এই হাতিটিকে থামান।"
সে বলল," না! আমি কিছুই করতে পারব না।"
অশ্বত্থের ঝুলন্ত মূলের মত মহাশ্বেতা হস্তির শুঁড় আমার চারপাশে।
ঘুম ভাঙল আতঙ্কে।
ঘুম ভেঙে দেখলাম ঘড়িতে ৭.৩০ বাজে। বাইরে
বাইরে কালবৈশাখী ঝড় হচ্ছে। গাছপালা দুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছে। বাতাসের প্রচণ্ড গতি গাছগুলোকে অসহায়ের মতো নির্যাতন করছে। গাছের পত্রপল্লব আছড়ে পড়ছে টিনের চালে।
উত্তরের জঙ্গলে গাছপালা উপড়ে পড়ার বিকট শব্দ হচ্ছে। বিদ্যুৎচমকানোর পর বজ্রের শব্দে মাটি কেঁপে উঠছে। আমি অপেক্ষা করছি কোন সময় একটা বজ্রাঘাত আমাদের চালে এসে পড়বে!
হিসেব কষছি। বজ্রপাত হয় উঁচু স্থাপণা না বড় গাছে। টিনের চালে নয়। কিন্তু এই কথা তো আমি জানি। বজ্রপাতের তো সেটা অজানা। সে নিয়ম নাও মানতে পারে।
বৃষ্টি একসময় থামল। আমার শরীর বিশেষ সুস্থ নয়। মানুষ জেগে থাকার জন্য গণিতচর্চা করে। গণিতচর্চা করছি। অসমতা। কিন্তু চোখে রাজ্যের ঘুম।
ঘুমিয়ে পড়লাম।
গাঢ় ঘুমে আমি একটা স্পষ্ট স্বপ্ন দেখলাম।
আমি হেঁটে যাচ্ছি খালি পায়ে। অনেক দূরের কোথাও থেকে হাঁটছি। রেললাইনের সমান্তরালে। রেললাইনে জং ধরে আছে। লকডাউনের কারণে ( বাস্তবেও এটা সত্যি)। সেই জং পড়া রেলে জং পড়া এক ট্রেন চলছে ঢাকার দিকে। মানুষ সে ট্রেনে নেই। অজস্র সবুজ গাছ নিয়ে এটা প্রচন্ড বেগে চলে যাচ্ছে। সবার দৃষ্টি ট্রেনের দিকে। কারণ এই মাসে এটাই একমাত্র ট্রেন।( বাস্তবে এই মাসে এখনো কোন ট্রেন চলেনি)।
গগনবিদারী ঝড় আবার শুরু হয়েছে। একপাল হাতি সাথে দুজন মাহুত সামনে আসছে।
মাহুতের হাতি কালো। সিল্ক ও মখমলের মতো চিকচিক করছে তার ত্বক। সেই হাতির জন্য সবাই রাস্তা ছেড়ে দিচ্ছে। একটি হাতি আমার কাছাকাছি আসছে। আমি রাস্তা ছেড়ে দিলাম।
হাতি চলে আসছে রাস্তা ছেড়ে। আমি বললাম, "মাহুত ভাই, এই হাতিটিকে থামান।"
সে বলল," না! আমি কিছুই করতে পারব না।"
অশ্বত্থের ঝুলন্ত মূলের মত মহাশ্বেতা হস্তির শুঁড় আমার চারপাশে।
ঘুম ভাঙল আতঙ্কে।
ঘুম ভেঙে দেখলাম ঘড়িতে ৭.৩০ বাজে। বাইরে