আশেক মামা কোথায় আছে সেটা বলা যাচ্ছে না। তার থাকার কথা আব্দুল্লাহপুর, সে এখানে আছে কী না সেটা অজানা। সর্বশেষ তার সাথে কথা হয়েছে গফরগাঁও। সেখানে ব্রহ্মপুত্রের পারে সেদিন গানের আসর জমে উঠেছিল। আকাশে প্রদীপ্ত চাঁদ। আমাদের সাথে ওয়ারেন্ট অফিসার নিলয় ছিল। সে আমার অতিথি আমরা এসেছি ময়মনসিংহ ঘুরতে।
আশেক মামার বন্ধু সৌরভ, গফরগাঁও উপজেলায় সবচেয়ে ভাল গান গায়। সে আছে আমাদের সাথে। গিটারের তারে তুলছে আপন কণ্ঠস্বর। নদের পারে হিমেল হাওয়া বইছে। চাঁদনী রাতে অজস্র গরুর পাল ঘাস খাচ্ছে।
মোটাসোটা একটা গরু এসে বসেছে শিল্পীর হাতের নিচেই। গরুর রঙ বুঝা যাচ্চে না। মোবাইলের ফ্লাশের আলোতে রঙ প্রকাশিত হলো। গরুর রঙ লাল। সে এসেই বসে পড়েছে গিটারবাদকের পাশে।
নতুন গান উঠছে তারে। " বড় আশা করে এসেছি গো কাক্সহে ডেকে লও..."
শীতল বাতাস বইছে। এখন ঘড়িতে প্রায় ১০ টা বাজে। নিলয় বলল," চল ফিরে যাই"
আমরা ফিরে আসছি। আশেক মামা বিভিন্ন আলাপে সময়কে মোহনীয় করার কাজ করছে। সে সফলতা পেয়েছে।
বাসায় ফিরে দেখলাম ছোট খালা( আইরিন আন্ট) খাবার নিয়ে বসে আছেন। তিনি আছেন চিন্তায়। আমাকে বেশ ক বার ফোন দিলেও ফোন বন্ধ। নিলয়ের নাম্বার অজানা। বাসায় ফিরলাম
ওয়ারেন্ট অফিসার এখনো আমাকে সেই দিনের কথা বলে। আশেক মামার উচ্চতা ৬ ফিট ২ ইঞ্চি। এই মানুষটির দেহ বিশালাকার হলেও ফিট। মনটা আরো বিশাল। মনকে দেখা না যাওয়ার কারনে সেটা বুঝা যাচ্ছে না।