লিখবে তুমি?

কর্পোরেট এই পৃথিবীতে ঝিরিঝিরি বাতাস কিংবা ফিনিক ফোটা জোসনা হয়ত তেমন দেখার অবসর মেলে না। তবুও জীবনের কিছু কথা থাকে। কথাগুলো সময়ের স্রোতের সোনার ধানের মতো লিখতে ইচ্ছে হয়। সেগুলো সাহিত্যের সুচারু  মাপকাঠিতে মাপা যাক বা না যাক। বলতে ইচ্ছে করে। এই কথা শুনার জন্য আমরা বন্ধু খুঁজি। জীবনের জন্য খুঁজি সাথী। আসলে এ সবই আমরা আমাদের স্বার্থেই করি। 
সহানুভূতি পেলে আমরা কাছে টেনে নিই; বিরক্তি বা অনধিকারে আমরা দূরে ঠেলে দিই। আমাদের অনুভূতিই আমাদেরকে আপন পর করার মাপকাঠি।  এখানে প্রত্যেকেই ভিন্ন সত্বা। নিজের প্রতিও এই বিরক্তি আসতে পারে। তখন নিজ থেকে নিজের বিচ্ছেদ হয়। শুরু হয় ডিপ্রেশন।  ইচ্ছে করে এই পরিচিত দেহখোলস ছেড়ে চলে যেতে। নিজের দেহই নিজের বিরুদ্ধাচারণ করলে আর কাকে বলব এই পৃথিবীর? 

এইসব মনের কথা যেমন ইচ্ছে তেমন ঢং এ প্রকাশ করে যেতে পারেন নাগরিকতায়। আপনাদের লেখা নিয়ে বছরে একটা কমপক্ষে ৩২ পৃষ্ঠার জার্নাল প্রকাশ করবো। কথা দিচ্ছি।
নবীনতর পূর্বতন