সময়

আকাশে তুলোট মেঘ। শরতের শেষাশেষি এক পড়ন্ত বিকেল। ঝিরিঝিরি বাতাস বইছে। বাতাসে কামিনী ফুলের গন্ধ ভেসে আসছে। আবুল হাসেম দপ্তরী হাসেম দিঘীর ঘাটে বসে আছে। কাঁঠাল গাছের প্রকাণ্ড শাখার ছায়া পড়েছে জলে। সেখানে একটা নিঃসঙ্গ গ্রাসকার্প খাবি খাচ্ছে। তিনি বললেন, কাল বড়শি ফেলবো। 
খিলখিল করে হাসতে হাসতে একদল কিশোরী সেখানে উপস্থিত। প্রবাদপুরুষটি তাদের দাদা বা নানা। তারা কিছুক্ষন বিরক্তি উৎপাদন করলো। 
সন্ধ্যা। হাতমুখ ধুয়ে আমি গণিত পড়ছি। ক্লাস সিক্স। ইংরেজিতে লেখা গণিত করতে হয়। তার নাম নাকি আবার বীজগণিত। ভয়ংকর বিষয়। 
আমার বীজগণিত যে শিক্ষিকা শেখান তার নাম শ্যামলী। আমি শ্যামলী আপা ডাকি। চমৎকার পড়াচ্ছে। না পারলেও ধমক দিচ্ছে না। স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছি। আজ আমার সেই বোন,শিক্ষক আর শুভাকাঙ্ক্ষীর জন্মদিন।  
সে জীবনে জয়ী হোক। সফলতায় সে আবার খিলখিল করে হেসে উঠুক। 
সেই প্রবাদ পুরুষের প্রয়াণ হয়েছে। পৃথিবীতে তিনি নেই। তার উত্তরসূরীরা সেই নামকে সুবর্ণখচিত করুন যেই মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হোক। 
নবীনতর পূর্বতন