হে পাষাণী !
তুমি জানো অনুভূতি কতটুকু গাঢ় হলে মানুষের কবিতা আসে ?
একটা কবিতার প্রতিটা কলির জন্য কতো শতবার দৌড়াতে হয় শব্দ মেলায়, স্মৃতির ভেলায় !
প্রতিটা লাইনের মধ্যে জানো, কত কষ্ট আর পরিশ্রম মিশে থাকে ?
একেক শব্দকে বাছাই করতে গিয়ে তার কত কিছু বিসর্জন দিতে হয় জানো কি ?
খাওয়া-নাওয়া ভুলতে দেখোনি মনে হয় কাউকে লিখতে গিয়ে !
তাই সম্ভবত কাজটি তুমি করলে ?
সবাইকে বলে দিই নাকি তাহলে ?
নাকি তার আগে ফিরিয়ে দিবে তোমাকে লেখা আমার কলিগুলো !
জানো ! খুব সখ করে, সব ছেড়ে কবিতামেন্ট করেছিলাম ।
ভেবেছিলাম সময় করে আবার কপি করে নেব। কিন্তু তুমি কী যে করলে ?
আমি পুরো টা বললাম না ।
তোমাকে চিনিওনা, জানিওনা ।
তবে আমার বিশ্বাস, যেহেতু আমি মন থেকে তোমাকে নিয়েই লিখে ছিলাম, তাই আমার এ কথাগুলো মন থেকে বুঝতে চেষ্টা কোরবে । আমার কবিতাগুলো ফিরিয়ে দিয়ো।
দরকার হয় তোমার জন্য আরো কবিতা লিখে দেব । তবুও ফিরিয়ে দাওনা আমার ওই কবিতাগুলো
আর শোনো যদি না দাও না ! পরের কবিতায় সব প্রকাশ করে দেব। তখন শুধু মনে মনে পুড়বে !
আজ এখানেই..
কবিতাগুলোর অপেক্ষায় রইলাম..
ইতি
হাসিখুশি একটা ছেলের হঠাৎ গম্ভীর হয়ে যাওয়া অবস্থা