খরতী

(বাঁ থেকে) ফাহিম, সবুজ আর আমি

রতি। দিগন্তজোড়া ফসলের মাঠের ওপাশে আকাশ নেমেছে। আকাশের নীল রঙে উড়ে বেড়াচ্ছে শাদা তুলোট মেঘ। বিকালের সোনালী ঘন্টায় সেখানে আমরা দাঁড়িয়ে আছি। মস্তবড় অজগর সাপের মতো এঁকেবেঁকে চলে গেছে নদীটি। নদীর নাম শীলা। 
শীলা নদীর উপরে কংক্রিটের একটি ব্রিজ। সেখানে অগুনতি মানুষ প্রকৃতি দেখতে আসে। স্কুল- কলেজের ছেলে মেয়েরাও আসে। বিকশিত কদম্বফুলের টানে মুখোমুখি বসে চলে অভিসার। উথাল বাতাসে স্কুল বালিকার চুল উড়ে। আর ব্যাবুল হয়ে উঠে পুরুষ মনের ব্যাকুলতা। নদীর জলের মন্দ্রধ্বনি জীবনবিতৃষ্ণ মানুষের মনেও দোলা লাগায়,"বেঁচে থাকাটা সত্যিই সুন্দর!" 

সেই ব্রিজে বসে আছি। ফাহিম,সবুজ আর আমি। একটু সামনেই সাতকন্যা ক্যাফে। জলের উপরে সুন্দর রিসোর্টের মতো রেস্টুরেন্ট। উপরে অসীম আকাশ। সেই আকাশের নিচে লাস্যময়ী নারীদের যুগলবন্দী করে রেখেছে পুরুষ। একটা অদ্ভুত ব্যাপার ঘটেছে। আজ সকালে কাদামাখা পথে একটা কোটি টাকার প্রাডো গাড়ি যেতে দেখা গেছে। যে দেখেছে তার নাম ফাহিম। যেই ফাহিম মার্বেল এর সিনেমার ভক্ত, সেই ফাহিম। আইরন ম্যান মারা যাওয়ায় তার মন খারাপ হয়। বলে, "মার্বেল এখন আর তেমন ভাল লাগে না!' আজ পাগলা নতুন বাজারে হাটের দিন।
নবীনতর পূর্বতন