ধুলিকণার ছায়ায় বসে দেখছি,
ঘাসফড়িং এর কাঁচের পাখা।
শস্যকণার একটি দানা বয়ে চলা,
গুটি তিনেক পিপড়ে শিশু।
----
ঘাসের ডগায় জমাট পানি
পিপড়ে পিপড়ে কানাকানি।
শস্য কণায় ভাগ জমাতে,
মারামারি হানাহানি।
ধুলি কণার মাটি খুঁড়ে,
দেখা গেলো স্বর্ণ অণু-
কীটপতঙ্গ, ঘাসপোকারা,
পাবার জন্য দিশেহারা!
অথচ তা খাদ্য নয়,
শোনার মতো বাদ্য নয়।
এসব নিয়ে জাতিসত্তা,
সহসা চলে গণহত্যা।
কেউ ধর্ম, কেউ বা জাতি,
যার যা আছে সে তেলেসমাতি।
খুন হয়, হয় রক্তপাত।
দারুন সহিংস সংঘাত।
অথচ সব অর্থহীন-
খোকার একটি খেয়ালী ফুঁ,
অথবা বাবুর দামী সু,
অভিমানী কোন সর্প বালা,
ক্ষোভে ছুড়ে ফেলা ফুলের মালা।
একবার যদি আছড়ে পড়ে,
ধুলিকণা যাবেই সরে।
স্বর্ণ অণু কেউ পাবে না,
দুর্ভিক্ষেও কেউ খাবে না।
অথচ এর অধিকারে,
কত প্রাণ যে গেছে ঝড়ে,
সেই খবরটি কেউ জানেনা।
ধুলিকনা উড়ে গেলেই,
সব আয়োজন ভেস্তে যাবে।
বিশ্বের এই সমগ্রতায়, আমরাই সেই পিপড়ে শিশু আমাদেরই এই ধুলিকণা।
আমরাই সেই ক্ষুদ্র স্বার্থে রক্তপাতের করি সূচনা