মুহাম্মদ আল-আমিন
গোলাপের গোলাপ কুঞ্জেড় অভিসার
কানাকানি পড়ে যায় গোলাপেরই বাগানে,
ফুলেদের এ কানাকানি আর কিছু অস্ফুট জানাজানি
আকাশে প্রস্ফুটিত নীল কাব্যের মতো দখল সত্য আজ ।
শনশন করে উত্তরীয় মায়ায় উষ্ণ বাতাসে ছুয়ে যায়
দক্ষিণের উত্তর মুখী বর্ষাস্নাত ফুলের নগ্ন পাপড়ি
পারভেদে আসা পুবের হোচট খাওয়া সোনালী রোদ এর স্বাক্ষী,
গন্ধ বিলানো গোলাপ ভাসে রাতের মায়াবী জোছনায়
মৌমাছির পাখসাটে রাতের গোপন দীর্ঘশ্বাসে
সন্ধার বোরকা পরা শরীর কালোর আবছায়া এর স্বাক্ষী ।
লুকানো প্রেমালয় থেকে থেকে প্রকম্পিত হয়
কিউটের ভয়ার্ত গর্জনে শামুকের নিবিড় গহ্বরে,
তবুও চৈত্রের দুপুরে বিষন্ন কণ্ঠে ধ্বনিত হয়
অবিনাশী কবিতার শ্যামলিম পাংগুক্তিমালা
আকাশের এক ফালি ছায়া-ফেলা মেঘ এর স্বাক্ষী ।
এই স্বাক্ষীরা তোমরা সব আসো আমার বেহালময় সময়ের পাসে
আর সত্য স্বাক্ষ্য দাও দ্বিধাহীন নির্মল মনে,
আমার ভেতরে বেড়ে ওঠা প্রেমিক আজ বসন্তের আদালতে
আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড়ানো ।
আজ স্বাক্ষ্য দাও ঐ কানাকানি সত্য ।
আজ স্বাক্ষ্য দাও ঐ জানাজানি সত্য ।
আমি অন্তত ভেতরে ভেতরে দন্ডিত ফাঁসির আদেশ থেকে রেহাই পাই,
আর, পেয়ে যাই বেকসুর খালাস ।