একদিন তার সাথে


কাল থেকে এতই মন খারাপ যে,সবকিছু ছুঁড়ে ফেলতে ইচ্ছে করছে। বুয়া আসেনি। অদ্ভুত কারনে তিনি কোন শুক্তরারেই আসেন না। আজ শুক্রবার। বাইরে বৃষ্টি পড়ছে। সুন্দর বৃষ্টি না। এই বৃষ্টি সন্ত্রাসী আগ্রাসন চালাচ্ছে। মানুষকে জোর করে ঠেলে দিচ্ছে কোন ছাউনীর নিচে। পলিথিন এর ছাউনীতে ঝাপটা বাতাস লাগছে। বৃষ্টির শীতল পানি স্কুলবালিকার নীল পোশাকটি ভিজিয়ে দিচ্ছে। তার সাদা সালোয়ারে লেগেছে বিশ্রী কাদা। ত্রাস সৃষ্টি করছে এই বাজে বৃষ্টি। ভাল না লাগার কারন ভিন্ন।
সামনের মাসে থাকার বিষয়ে একটা ঐক্যমত্য ছিল। আজ চিড় ধরে উঠল। সব দায়িত্ব মোটামুটি আমার কাঁধেই। সারাদিন কাটল চিন্তা আর উৎকন্ঠায়। মন ভয়ানক খারাপ। হৃদয় আমার এক যোগ্য সহপাঠী, সহকর্মী, বন্ধু, আছে সাথেই। পৃথিবীর সবাই এমন আচরণ করা শুরু করছে, যেন গ্রহে আমি বড্ড বেমানান। মৃত শস্যক্ষেত।
নামাজ পড়ে দোয়া করা হল। সমস্যা সমাধানের কোন সম্ভাবনা আপাতত নেই।
আমার মন পড়ে আছে বাড়িতে। আমার কলিজায় মিশে থাকা ছোট ভাইয়ের অসুস্থতা আমাকে টেনে নিতে চাচ্ছে বাড়িতে। কিন্তু এই মহা সমস্যা রেখে আমি চলে আসতে পারি না!
দোয়া কবুল হল।
বিকালের মধ্যে সব সমস্যা সমাধান হল। নামাজ পড়ে দেখা হল অভিনেতা অপূর্বের সাথে। তার মাথায় একটা বড় টুপি পড়া। সে তার গাড়ির ভেতর থেকে বিভিন্ন ধরনের অনেক গুলো শার্ট বের করলেন। একটা পড়লেন। হাতে একটা সিগারেট। আমাদের সাথে কথা হল। শুটিং নিয়েই।
মাথায় ইয়া বড় এক টুপি। (ছবিতে বুঝা যাচ্ছে না)। আমার পিঠে হাত রাখলেন। ছবি তুললাম।
গতকাল তানজিন তিশা আর তার একটা মজার শ্যুটিং দেখেছিলাম। নাটকের নামটা জানা হয়নি ভুলে।
রাতে শুনলাম মা অসুস্থ। সব আনন্দ মাটি হয়ে গেছে।
ভোরের ট্রেনেই চলে যাব বাড়িতে। মায়ের পায়ের কাছে।
নবীনতর পূর্বতন